কথায় আছে মা ভালো হলে সন্তানও ভালো হয়৷ কথাটা আক্ষরিক অর্থেই সত্যি।
একজন ভালো মায়ের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকে আসুন জেনে নিই।
•
১. একজন ভালো মা সন্তানের সামনে কখনো মিথ্যা বলেন না।
২. ভালো মা সন্তানকে সব বিষয়ে ছাড় দেন না। কখনো সন্তানের অন্যায় বায়না কে প্রশ্রয় দেন না।
৩. নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য কোনো অনৈতিক কাজের আশ্রয় নেন না।
৪. প্রকৃত মা সবসময় পরিশ্রমী হয়ে থাকেন। সন্তানও পরিশ্রমের শিক্ষা পেয়ে থাকে।
৫. সন্তানকে অন্য কারো বিরুদ্ধে যাওয়ার শিক্ষা দেন না। মিলেমিশে থাকার শিক্ষা দেন।
৬. সন্তান ভালো করলে উৎসাহ দেন। খারাপ করলে চুপ থাকেন না। বরং শাসন করেন।
৭. তিনি ধৈর্যশীল হন। সামান্য ব্যাপারে বিচলিত হন না। ধৈর্য সহকারে গোটা বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন।
_____________
বাচ্চা মোবাইল দেখতে চাচ্ছে কিন্তু আপনি চান না এখন মোবাইল দেখুক। মোবাইল না দেওয়ার কারণে সে ফ্লোরে গড়াগড়ি করা শুরু করল, কান্নাকাটি করা শুরু করল। এক পর্যায়ে সহ্য করতে না পেরে আপনি মোবাইল দিয়ে দিলেন। এই ঘটনা থেকে বাচ্চা শিখল, কোন কিছু পাওয়ার জন্য তাকে এই ধরনের আচরণ করতে হবে তাহলেই সে পাবে।
বাচ্চা বড় হওয়ার সাথে সাথে এই জেদ করে আদায় করার প্রবণতা বাড়তে থাকবে। একটু বড় হওয়ার পর তারা বাবা মাকে ব্ল্যাকমেইল করা শুরু করে।
তাই ছোটবেলা থেকেই বাচ্চার জেদ কে প্রশ্রয় না দিয়ে তাকে বোঝাতে হবে, আপনি যখন কিছুতে না বলেছেন তা কখনোই কোন কিছুর বিনিময় হ্যাঁ হবে না।
এছাড়াও বাচ্চা জেদ সামলাতে যা করবেন –
👉জেদের সময় বাচ্চার প্রতি মনোযোগ কম দেবেন।
👉বাচ্চা কোন কিছুর জন্য কান্না করলে তার কান্না থামানোর জন্য সাথে সাথে ওই জিনিসটা দিয়ে দিবেন না
👉যদি বাচ্চা ফ্লোরে গড়াগড়ি অথবা হাত-পা ছড়াছড়ি করে তাহলে বাচ্চাকে নিরাপদ স্থানে রেখে আপনি ওই স্থান ত্যাগ করুন।
👉যেকোনো ধরনের নেগেটিভ অ্যাটেনশন যেমন :বকাবকি, গায়ে হাত তোলা ইত্যাদি থেকে বিরত থাকুন।
👉দুই বছরের কম বাচ্চাদের ক্ষেত্রে, তাদেরকে জড়িয়ে ধরে, আদর করে, মনোযোগ অন্যদিকে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।
মনে রাখবেন, বাচ্চারা কিন্তু তাদের চাহিদা আদায়ের ক্ষেত্রে খুবই সচেতন।
তারা যদি একবার বুঝে যায়, জেদের মাধ্যমে তারা তাদের অন্যায় চাহিদাগুলো আদায় করতে পারবে তাহলে তারা তা বারবার যেকোনো পরিবেশে তা প্রয়োগ করতে থাকবে।
Happy Parenting❣️❣️
লেখা : সংগৃহীত
