দ্বীনে ফেরা বোনদের প্রতি

দ্বীনে ফেরা বোনদের প্রতি post thumbnail image

দ্বীনে ফেরা বোনদের প্রতি

দ্বীনের ফেরার পর যারা অবিবাহিত তারা দোষ দেই নিজের বাবা-মা ও পরিবারকে আর যারা বিবাহিত তারা দোষ দেই স্বামী-সন্তান ও শ্বশুর-শ্বাশুড়িকে।

কিন্তু এই দোষ টা তাদের না দিয়ে যদি নিজের ভুলগুলোর দিকে তাকিয়ে সংশোধনে লেগে যেতাম তাহলে অনেক আগেই হয়তো পরিবার সংশোধন হয়ে যেতো।

সত্য কথা এটাই যে, *নিজের সংশোধনের মেহনতে যত পিছিয়ে থাকব, আমার পরিবারও পিছিয়ে থাকবে।*

তাদেরকে নিজের আখলাক ও দ্বীন পালনের মাধ্যমে যদি দ্বীনের সৌন্দর্য না দেখাতে পারি তাহলে অন্যকে দোষ দিয়ে সত্যি ই লাভ নাই। এটা নিজের সাথে নিজের প্রতারণা হয়ে যাবে। নিজের সাথে নিজেই প্রতারণা করলে তখন সংশোধনের ইচ্ছা আমার মধ্যে আসবেনা।

অন্যকে দুষতে দুষতেই দিন শেষ হয়ে যাবে। অথচ মুমিন সবসময় নিজেকে দুষতে থাকে।

আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় তাদের হিদায়াত সামনেই দেখতে পাব ইনশাআল্লাহ।

আর আল্লাহ তায়ালা দেখবেন আমি তাদের প্রতি কীরূপ মেহনত করছি। দুআ করছি কিনা।

তাদের প্রতি মেহনত মানেই নিজের ইসলাহ করা। দ্বীন খুব সহজ। নিজের ইসলাহ হতে হতেই আমার আশপাশ শুধরে যাবে ইনশাআল্লাহ।

এটা পরিক্ষিত ও প্রমাণিত।

যত তাড়াতাড়ি এটা আমাদের বুঝে আসবে তত দ্রুত নিয়ামত দেখতে পাব ইনশাআল্লাহ। এর ফলাফল পোস্টের প্রথম অংশেই আছে। বোনটা নিজের উপর মেহনত ও কুরআনের সাথে লেগে ছিলেন এরপর দেখেন আল্লাহ তায়ালা কীভাবে স্বামীকে পরিবর্তন করে দিলেন।

আল্লাহর কাছে দুয়া করে একটু গভীরতা বুঝার চেষ্টা করি বোনেরা।

আল্লাহ তায়ালা ভালো জানেন সকল বিষয়ে।

একবার একটা গল্প পড়েছিলাম একজন বোন খুবই দ্বীনদার ছিলেন। কিন্তু তাঁর স্বামী ছিলেন একদম বিপরীত—মদ্যপান করতো, সালাত-সিয়াম কোনো কিছুই ছিল না জীবনে।
*বোনটি বরকতের নিয়তে নিয়মিত সূরা বাকারা তেলাওয়াত শুরু করে। তার নিয়মিত তেলাওয়াতের কারণে, পরবর্তীতে তার স্বামী এতটা ধার্মিক ও আল্লাহভীরু হয়েছে*।

সুবহানাল্লাহ! কল্পনাও করা যায় না।

*[সংগৃহীত]*

Leave a Reply

Related Post

তাকওয়া অর্জনের উপায়তাকওয়া অর্জনের উপায়

তাকওয়া হাসিলের তরীকা আল্লাহর কথা স্মরণ রেখে, পরকালের শাস্তির ভয় মনে জাগরুক রেখে শরিয়তের হুকুম মেনে চলাই হলো তাকওয়া। এই তাকওয়া হাসিল করবো কীভাবে? কলবে আল্লাহর ভয় জাগ্রত হবে কীভাবে?

মায়ের দায়িত্ব ও কর্তব্যমায়ের দায়িত্ব ও কর্তব্য

  মায়ের দায়িত্ব ও কর্তব্য ভূমিকা ইসলামে মায়ের মর্যাদা এমন এক উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত, যা অন্য কোনো সম্পর্ককে দেওয়া হয়নি। একজন মা শুধু একটি সন্তানের জন্মদাত্রীই নন, বরং একজন মুমিনের চরিত্র

ইসলামে নারীদেরকে “হাউজ ওয়াইফ” বলা হয়নি।ইসলামে নারীদেরকে “হাউজ ওয়াইফ” বলা হয়নি।

ইসলামে নারীদেরকে “হাউজ ওয়াইফ” বলা হয়নি। ইসলামে নারীদেরকে বলা হয়েছে — **”رَبَّةُ البَيت” (রাব্বাতুল বাইত)** অর্থাৎ — **“গৃহের রাণী” বা “গৃহের সম্রাজ্ঞী”**। তাই নিজের মা, বোন, মেয়ে, স্ত্রী-কে “Housewife” লিখবেন