৮টি জিনিস লুকিয়ে রাখা

৮টি জিনিস লুকিয়ে রাখা post thumbnail image

৮টি জিনিস লুকিয়ে রাখা

হাদীস ও আলেমদের বর্ণনা অনুযায়ী ইসলামে কিছু বিষয় গোপন রাখা উত্তম বলা হয়েছে, যাতে অহংকার, হিংসা বা অপ্রয়োজনীয় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

প্রচলিতভাবে “৮টি জিনিস লুকিয়ে রাখা” বলে যেটি শোনা যায়, তা সাধারণত নসীহত হিসেবে আলেমরা উল্লেখ করেন, যদিও সবগুলো সরাসরি এক হাদীসে একসাথে আসেনি।

সেগুলো হলো—

1. ইবাদত – বিশেষ করে নফল ইবাদত, যাতে রিয়া (লোক দেখানো) না হয়।
2. সদকা/দান – আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দিলে তা গোপন রাখা উত্তম (কুরআন 2:271)।
3. রিজিক/আয় – হিংসা ও নজর লাগা থেকে বাঁচার জন্য।
4. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা – রাসূল ﷺ বলেছেন: “তোমরা কাজের সফলতা চাও গোপন রেখে।” (মুসলিম)
5. পরিবারিক কলহ – বাইরের মানুষকে না জানানো, যাতে সম্পর্ক নষ্ট না হয়।
6. স্বপ্ন – ভালো স্বপ্ন কেবল প্রিয়জনকে বলা, খারাপ স্বপ্ন কাউকে না বলা। (বুখারি, মুসলিম)
7. রোগ/দুর্বলতা – অযথা অভিযোগ না করা, ধৈর্য ধারণ করা।
8. পাপ – নিজে করা গুনাহ অন্যের কাছে প্রকাশ না করা (বুখারি, মুসলিম)।

এগুলো সবই ইসলামী আদবের অংশ, যাতে মানুষের জীবন ও সম্পর্ক নিরাপদ থাকে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ হয়।

সংকলনে-

মুফতী মুস্তাফিজুর রহমান।

Leave a Reply

Related Post

স্বামী–স্ত্রীর সম্পর্ক কবে হয় “এক হৃদয়”স্বামী–স্ত্রীর সম্পর্ক কবে হয় “এক হৃদয়”

স্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন: স্বামী–স্ত্রীর সম্পর্ক কবে হয় “এক হৃদয়”🌸 হ্যাঁ, স্বামী–স্ত্রীর সম্পর্ক “এক হৃদয়” হতে পারে… কিন্তু এটা হঠাৎ ঘটে না, বরং ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে— • ধৈর্যের মাধ্যমে •

বিয়ের যোগ্য স্বামীর গুণাবলিবিয়ের যোগ্য স্বামীর গুণাবলি

বিয়ের যোগ্য স্বামীর গুণাবলি (ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে) বিবাহ ইসলামে একটি সুন্নাহ ও পবিত্র চুক্তি। এজন্য জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলামের দিকনির্দেশনা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। একজন পুরুষকে বিয়ের জন্য যোগ্য হতে

দুয়ার পরও যদি গুনাহ হয়ে যায়দুয়ার পরও যদি গুনাহ হয়ে যায়

*◼️দুআর পরে যদি গুনাহ হয়ে যায়* হযরত শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী হাফিযাহুল্লহ বলেন, আমাদের হযরত ডাক্তার সাহেব (রহ.) বলেন যে, যখন তোমরা এই দুআ করলে, হে আল্লাহ, আমাকে