দুনিয়াতেও সেরা, আখিরাতেও সেরা!
দুনিয়াতে সেরা হওয়া আর আখিরাতে সফল হওয়ার মধ্যে কোনও স্বাভাবিক সংঘাত নেই—বরং আল্লাহর বিধান মেনে, আখিরাতের হিসাব ঠিক রেখে দুনিয়াতে সেরা হলে, সেটাই আখিরাতেও উন্নতির পথ তৈরি করে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর হাদিসেও এর প্রমাণ আছে—
خياركم في الجاهلية خياركم في الإسلام إذا فقهوا
“তোমাদের মধ্যে যারা জাহিলিয়াতের যুগে সেরা ছিল, তারা ইসলাম গ্রহণের পরেও সেরা হয়, যদি তারা দ্বীনের সঠিক বুঝ অর্জন করে।”
— সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম
এ হাদিসের শিক্ষা হলো—
- নৈতিকতা, সততা, নেতৃত্বগুণ, সাহস, জ্ঞান—এসব গুণ যদি ইসলামের আগে থেকেও কারো মধ্যে থাকে, ইসলাম গ্রহণের পর সেগুলো দ্বীনের আলোকে আরও পরিশুদ্ধ হয়।
- দুনিয়াতে সেরা হওয়া যদি হালাল উপায়ে হয় এবং আল্লাহর হুকুমের বাইরে না যায়, তাহলে তা আখিরাতের সাফল্যের সাথে বিরোধী নয়।
- বরং একজন মু’মিনের উচিত দুনিয়াতেও উৎকর্ষ অর্জন করা, যেন তাঁর মাধ্যমে দ্বীনের মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং আখিরাতের সওয়াবও বাড়ে।
তাই মুমিনের লক্ষ্য,
দুনিয়াতেও সেরা, আখিরাতেও সেরা !
আল্লহ তাআলা আমাদের সকলকে তাওফীক দান করুন আমীন।
